শীর্ষ খবর

img

মাত্র পাঁচদিন আগে চট্টগ্রামে এক দু'র্ঘটনায় মৃ'ত্যু হয় স্বামীর। তার মর'দে'হ দা'ফন ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীম''ঙ্গল থেকে উপবন এক্সপ্রেসে করে চট্টগ্রাম ফিরছিলেন 'স্ত্রী জাহেদা খাতুন (৩০)। পথিমধ্যে সোমবার দিবাগত রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভ'য়াবহ ট্রেন দু'র্ঘটনায় পড়ে না ফেরার দেশে চলে যেতে হয় মৃ'ত মোহা'ম্ম'দ মুসলিমের 'স্ত্রী জাহেদা খাতুনকেও। এ দু'র্ঘটনায় তার মা, দুই ছেলে ও দু’মেয়ে আ'হত হয়েছে।

 

 


‘এক শোক শেষ না 'হতেই আরেকজনের মৃ'ত্যু’- এমনটা জানিয়ে নি'হতের নিকটাত্মীয় মোহা'ম্ম'দ জসিম জানান, গত ৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রাম বন্দরে একটি জাহাজে দায়িত্ব পালন করার সময় জাহেদার স্বামী মোহা'ম্ম'দ মুসলিম দু'র্ঘটনায় মা'রা যান। নি'হত মুসলিমের মর'দে'হ নিয়ে শনিবার (৯ নভেম্বর) তাদের সন্তান সুমন, ইমন, মীম, সুমি, জাহেদা খাতুনসহ তার মা সুরাইয়া খাতুন শ্রীম''ঙ্গল গ্রামে যায়।

 

 


তিনি আরও জানান, তাদের বাড়ি শ্রীম''ঙ্গল উপজে'লার গাজীপুর গ্রামে। সেখানে মুসলিমের দা'ফনসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে চট্টগ্রাম সদর ভাটিয়ালি এলাকায় তাদের বর্তমান ঠিকানায় ‘উপবন এক্সপ্রেস’ ট্রেনে করে ফিরছিলেন। সোমবার (১১ নভেম্বর) রাতে ফেরার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবায় ট্রেন দু'র্ঘটনায় জাহেদার মৃ'ত্যু হয় ও তার সন্তান সুমনসহ অন্যরা আ'হত হন। ইমনের দু’পা ভেঙে গেছে, সে প''ঙ্গু' হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বোন কলেজছাত্রী সোমা আক্তার সুমিকে সন্ধ্যার পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আনার পর সিটিস্ক্যান করানো হয়। তবে মাথায় কোনো ইনজুরি না থাকায় দ্রুত তাকে আবার প''ঙ্গু' হাসপাতালে রেফার করেছেন। তার দু’পায়ে ফ্যাকচার রয়েছে। এছাড়া ট্রেন দু'র্ঘটনায় জাহেদার মা সুরাইয়া প''ঙ্গু' হাসপাতালে ও জাহেদার সন্তান মীম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 

 


ঢামেক পরিচালক বিগ্রে'ডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ট্রেন দু'র্ঘটনার পরপরই হাসপাতালে বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এ পর্যন্ত ঢামেকে তিনজন এসেছে। এদের মধ্যে দু’জন যুবক। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের শরীরে ফ্যাকচার আছে এবং সুমি নামে একটি মেয়ে সন্ধ্যার পরে এসেছিল। তাকে সিটিস্ক্যান করিয়ে তার মাথায় কোনো আঘা'ত পাওয়া যায়নি।

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ